1. nagorikit@gmail.com : admin :
  2. khoborbd.live@gmail.com : administrator :
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
Adsense এ ব্যাংক একাউন্ট যোগ করে কিভাবে টাকা তুলবেন দেখে নিন। সুনামগঞ্জে প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় রাজপথের ত্যাগী নেতা রেজাউল হক দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ: সুনামগঞ্জে বিএনপির ২ হেভিওয়েট প্রার্থী বহিষ্কৃত সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত ১, আহত ৮ সুনামগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন: ৪টি নৌকা জব্দ, আটক ৪ সুনামগঞ্জে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের জেলা কমিটি অনুমোদন সুমী দাশের রহস্যজনক মৃত্যু: আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মহিলা পরিষদের স্মারকলিপি দোয়ারাবাজারে জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটির উপজেলা কার্যালয় উদ্বোধন ও পরিচিতি সভা বিশ্বম্ভরপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ: আহত ১৫ অফিস ভাঙচুর সুনামগঞ্জ সদরের মোহনপুরে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে ওসি রতন শেখ সুনামগঞ্জে গৃহবধূর মৃত্যু: স্বামীকে রিমান্ডে চাইল পুলিশ শ্বশুর-শাশুড়ি পলাতক

ছাত্রীকে পর্ন ভিডিও দেখতে বাধ্য করার অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস আটক

  • আপডেট করা হয়েছে মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৫২২ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চার ছাত্রীকে পর্ন ভিডিও দেখতে বাধ্য করার অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনকে (৪৬) পুলিশে দিয়েছে অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

আজ বিকেলে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা প্রথমে বিদ্যালয় ঘেরাও দিয়ে ওই শিক্ষককে মারধরের চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

ছাত্রীদের অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির চার ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের ছাদে ঢেকে নিয়ে যান প্রধান শিক্ষক।

এ সময় তার মোবাইলে থাকা অশ্লীল ভিডিও ক্লিপ ছাত্রীদের দেখতে বাধ্য করেন।
ছাত্রীরা দেখতে না চাইলে ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন প্রধান শিক্ষক। তাদেরকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার এবং পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।

এ সময় দুই ছাত্রী পালিয়ে আসলেও দুজনকে ছাদে আটকে রাখেন ওই শিক্ষক।

পরে অভিভাবকরা খবর পেয়ে এলাকার লোকজনকে জড়ো করে ওই শিক্ষককে ঘেরাও করে রাখেন। পরে শিক্ষকের ফোন পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে তাদের হেফাজতে নেয়।

অভিযোগকারী এক ছাত্রীর অভিভাবক বলেন, ওই শিক্ষক ছাত্রীদের অশ্লীল ভিডিও দেখতে বাধ্য করেছেন। কাউকে এ নিয়ে কোনো কিছু বললে স্কুল থেকে বের করে দেওয়ারও হুমকি দেন তিনি। প্রায়ই ছাত্রীদের সঙ্গে এমন অশালীন আচরণ করতেন ওই শিক্ষক।

সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবুল হোসেন জানান, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং লজ্জার। ওই এলাকা থেকে মঙ্গলবার দুপুরে ফোনে তাকে বিষয়টি জানালে তিনি ওই বিদ্যালয়ে যান।

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সহিদুর রহমান জানান, তারা খবর পেয়ে ওই বিদ্যালয়ের গিয়ে দেখনে কয়েকশ’ লোক বিদ্যালয় ঘেরাও করে আছে। পরে প্রধান শিক্ষককে থানায় নিয়ে আসেন তারা।

তিনি বলেন,‘আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। ওই শিক্ষক বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে আছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

Designed by: Nagorik It.Com